ইরানের নারী বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘সায়াদ-৪’ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের খেলা কি তবে শুরু? হরমুজ থেকে উধাও KC-35 তেলের ট্যাংকার বিমান।
ওয়াশিংটন পুষ্টের সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ বর্তমানে যেকোনো সময় শুরু হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঠিক সেই সময় আমেরিকার রিফুয়েলিং ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালীর ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল। এর পর একটি KC-35 জরুরি সংকেত ‘৭৭০০’ পাঠানোর পর ফ্লাইট ডাটা অনুযায়ী এটি নিচে নামতে থাকে এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়।সম্ভবত পাইলটসহ হরমুজের পানিতে ক্র্যাশ করেছে।
বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর কাতারের আল উদাইদ বিমান ঘাঁটি থেকে দুটি হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযানে নামার খবর পাওয়া গেছে, তবে এখন পর্যন্ত বিমানটির নিশ্চিত অবস্থান জানা যায়নি।
ইরানের ‘সায়াদ-৪’ সিস্টেমটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম। এটি শত্রুর রাডার, ড্রোন এবং গাইডেড মিসাইলের জিপিএস ও নেভিগেশন সিগন্যাল জ্যাম করে দিতে সক্ষম। এটি রণক্ষেত্রে একটি অদৃশ্য সুরক্ষা-কবচ তৈরি করে শত্রুকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দেয়। প্রায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় এটি শত্রুর ইলেকট্রনিক সিগন্যাল অকেজো করতে পারে। এমনকি এটি স্টেলথ বা রাডার-ফাঁকি দেওয়া প্রযুক্তির বিমানকেও বিভ্রান্ত করতে সক্ষম।
এটি ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বিশেষ প্রকল্প, যা সম্পূর্ণভাবে ইরানের দক্ষ নারী বিজ্ঞানীদের হাত ধরে তৈরি হয়েছে।
সায়াদ-৪ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের আকাশসীমা রক্ষায় অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে মোতায়েন রয়েছে। উপযুক্ত প্রমাণ না থাকলেও বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের মাধ্যমেই এর সিগন্যাল জ্যাম বা হ্যাক করা হয়ে থাকতে পারে।
See less