২০২৫ এর ঘটনা। মাদ্রাসার নিয়ম কানুন ও পর্দার বিধি-বিধান না মানায় অভিযুক্ত একজন ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে চলে যাওয়ার সাত থেকে আট মাসের মাথায় আবার মাদ্রাসায় ব্যাক করে হুজুরের নামে ধ” র্ষণের অভিযোগ করল। শুধুমাত্র আলট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্টেই ধ” র্ষক বানিয়ে দেয়া হলো একজন আলেম ও মাদ্রাসা পরিচালককে।
ডাক্তার সাইমা! শুধুমাত্র আলট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট দেখেই ধ” র্ষক শনাক্ত করার প্রচলন ঠিক কবে থেকে শুরু হয়েছে উত্তরটা পাওয়া যাবে কি?
শুধুমাত্র এসব রিপোর্টের ভিত্তিতেই কোন প্রকার তথ্য ও প্রমাণ ছাড়া একজন সম্মানিত মাদ্রাসার পরিচালক ও আলেমকে ধ”র্ষক বলে হাজার হাজার নিউজ করার বৈধতা গণমাধ্যম ঠিক কবে থেকে পেয়েছে উত্তরটা পাওয়া যাবে কি?
অভিযুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক উল্টো দাবি করেছেন সন্তানের ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করা যাবে আসলে এর বাবা কে? অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই আমার ইজ্জত হননের বিচার চাই।
তিনি আরো বলেন, একজন সাবালিকা মেয়ে পর্দার বিধি-বিধান মানতো না, অভিভাবককে এব্যাপারে একাধিকবার অভিযোগ করলেও তারা আমলে নেয়নি। এত বড় হয়ে যাওয়ার পরেও সে মেয়েটি তার নানার সাথে একই বিছানায় ঘুমাতো । অভিযুক্ত তো সেই নানাও হতে পারে।!
তথ্যপ্রমাণ ও ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে আসল অপরাধী বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছি।


