• August 18, 2022
  • Jack Reacher
  • 0
আমাদের দেশে কি এটা কখন সম্ভব হবে?
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ (বালেন্দ্র শাহ) দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কাঠমান্ডুসহ নেপালের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন, তা বিশ্বজুড়ে অনেক আলোচনা ও প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে নারীর নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় তার কঠোর অবস্থান অনেক দেশেই ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আপনি যে আইনের কথা উল্লেখ করেছেন—ধর্ষক শনাক্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি—এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি আলোচনা। জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে এমন দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির দাবি এখন অনেক দেশেই জোরালো হচ্ছে।

​ধর্ষণ কমানোর ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার এবং দৃশ্যমান শাস্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটেও দেখা যায়, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অনেক সময় অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয় অথবা ভুক্তভোগী পরিবারকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। যদি অপরাধ প্রমাণ হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হতো, তবে তা সম্ভাব্য অপরাধীদের মনে তীব্র ভীতি সৃষ্টি করতো। মূলত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রদান করা গেলে সমাজে এই ধরনের পৈশাচিক অপরাধের প্রবণতা অনেকাংশেই কমে আসত।
​তবে এই ধরনের কঠোর আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকা এবং নিরপরাধ কেউ যেন ফেঁসে না যায়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। একটি শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থা ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যদি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে দণ্ড দেওয়া যায়, তবেই তা সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশের মানুষও চায় একটি নিরাপদ সমাজ, যেখানে নারী ও শিশুরা নির্ভয়ে বসবাস করতে পারবে। তাই কঠোর আইনের পাশাপাশি এর সঠিক প্রয়োগ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা একটি ধর্ষণমুক্ত সুন্দর ভবিষ্যতের আশা করতে পারি। 

See less

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *