মেয়েটির নাম সুমাইয়া। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে আইএলটিএস (IELTS) করতে গিয়ে এক প্রতারক শিক্ষকের ফাঁদে পড়ে আজ তার জীবন ধ্বংসের পথে। ফার্মগেট ব্রাঞ্চে কচর শিক্ষক ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ থাকায় তার মা তাকে শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কিন্তু সে তাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে একটি বাসা ভাড়া নিতে বাধ্য করে এবং তখন সুমাইয়ার জীবনে এক ভয়ংকর অধ্যায়ের সূচনা হয়।
গত ৩১শে মে সেই শিক্ষক তাকে ভাড়াবাসায় ঢুকে জোরপূর্বক আমার সর্বনাশ করে। এরপর সেই জঘন্য ঘটনার ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে চায়। বাধ্য হয়ে সুমাইয়া আইনের আশ্রয় নেই এবং মামলা করে । কিন্তু সে এতিম হওয়ার দোহাই দিয়ে কান্নাকাটি করে তাকে দিয়ে জামিন করায় এবং বিয়ের শর্তে তাকে বিয়ে করে।
বিয়ের পর শুরু হয় তার জীবনের আসল নরকযন্ত্রণা। দিনের পর দিন সে তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখতো, প্রচণ্ড শীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঝর্ণার নিচে দাঁড় করিয়ে রাখতো এবং গলায় বটি ধরে ভয় দেখাতো। এমনকি রবীন্দ্র সরোবর এবং ধানমন্ডি মেট্রো শপিং মলের সামনে প্রকাশ্যে সে তাকে পশুর মতো পিটিয়েছে।
লন্ডনে সেটেল হওয়ার মিথ্যে স্বপ্ন দেখিয়ে সে তার জমানো ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। তার মিথ্যে ভালোবাসার আশ্বাসে গত ৩০শে মার্চ জজের সামনে দাঁড়িয়ে সুমাইয়া আগের মামলাটি তুলে নেই। কিন্তু মামলা শেষ হওয়ার ঠিক পরের দিন, ৩১শে মার্চ থেকেই সে তার চিরচেনা ভয়ংকর রূপে ফিরে আসে।
৭ই এপ্রিল সে আমাকে চূড়ান্ত মারধর করে সুমাইয়ার আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স এবং রেডমি ফোন দুটি নিয়ে চিরতরে চলে যায়। পরে জানতে পারে, ৪৫ বছর বয়সী এক মহিলার সাথে তার আগে থেকেই অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ছিল।সে শুধুমাত্র মামলার হাত থেকে বাঁচতে আর টাকার জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে!
মায়ের অবাধ্য হওয়ার চরম মূল্য দিয়ে সুমাইয়া আজ সব হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব। আপনাদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন, যাতে আর কোনো মেয়ে এমন প্রতারক শিক্ষকের ফাঁদে পড়ে নিজের জীবন ধ্বংস না করে।






